মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন

News Headline :
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও সীমানাপ্রাচীর পুনরুদ্ধারের দাবিতে রাসিক প্রশাসকের কাছে রুয়েট শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পাবনায় প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন পাবনায় ১০ গ্রাম হেরোইনসহ একজন গ্রেফতার খাটুনির মজুরি’ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পাবনায় ১২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার রাজশাহীতে ভাতিজার হাসুয়ার কোপে চাচা নিহত পাবনায় মৃত ব্যাক্তির নামে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলার অভিযোগ পত্র তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ পুনঃ তদন্তের দাবি বদলগাছীতে প্রশাসনের আয়োজনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নৌকা বাইসকে কেন্দ্র করে হামলা ১৫ জন আহত ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কার্ভাড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের পাবনার ভাঙ্গুড়া উপশাখা কমিটি ঘোষনা

সৌদিতে আগুনে নিহতদের চারজনই রাজশাহী,শোকের মাতমে গ্রাম

Reading Time: 2 minutes

মাসুদ রানা রাব্বানী,রাজশাহী:
সৌদি আরবে আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া নয়জনের মধ্যে চারজনেরই বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তিনজনের বাড়ি ঝিকড়া ইউনিয়নে এবং অন্য জনের যোগিপাড়া ইউনিয়নে। নিহতেরা হলেন বারইপাড়া গ্রামের রুবেল হোসনেকে (৩২), সাজেদুল ইসলাম (৪৫), রুবেল আলী (২৭) ও বড়মাধাইমুড়ি গ্রামের ফিরোজ আলী সরদার (৩৮)। তাদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।শুক্রবার সৌদি সময় বিকেল চারটায় রাজধানী রিয়াদ থেকে ৩৫০ কিলোমিটার পূর্বে আল আহসা শহরের হুফুফ ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল সিটি এলাকার এক সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত রুবেল হোসেনের বাবা জফির উদ্দিন ছেলেকে হারিয়ে অস্বাভাবিক হয়ে গেছেন। এই দুর্ঘটনা মানতেই পারছেন না। তিনি বলেন, গতকাল শুক্রবার তারা মৃত্যুর খবর পেয়েছিলেন। তবে নিশ্চিত হতে পারেননি।আজ শনিবার সকালে সেখানে থেকে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী ও সাজেদুল ইসলাম আট বছর ধরে সৌদি আরবে আছেন। তিনিও মারা গেছেন। তারা এক সঙ্গে থাকতেন। সাজেদুলের স্ত্রী রুপা ও মেয়ে সাহিনা বাকরুদাধ হয়ে পড়েছে।
এদের হাত ধরে একই কোম্পানিতে চাকরি নিয়েছিলেন একই গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে রুবেল আলী (২৭)। সাত মাস আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন। এর মধ্যে লাশ হলেন তিনি।উপজেলার যোগিপাড়া ইউনিয়নের বড় মাধাইমুড়ি গ্রামের ফিরোজ আলী সরদার (৩৯) ছয় বছর আগে গিয়েছিলেন সৌদি আরবে। বাবা আনিছার রহমান বলেন, ছেলে কিছু টাকা জমিয়ে এবং বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, ছেলেটি খুবই ভদ্র ছিল। মাত্র দুই বছর আগে গিয়ে সেখানে ওই কারখানায় চাকরি নিয়েছেন। তাঁর এক শিশু ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে পরিবারগুলোর খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।এদিকে খবর পাওয়ার পর রাজশাহী জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বাগমারা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিহত শ্রমিকদের বাড়িতে যান। তাদের খোঁজ -খবর নেওয়া ছাড়াও সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ রাতেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শোকসন্তাপ্ত পরিবারকে শান্তনাসহ অর্থনৈতিক সহযোগীতা দিয়েছেন বলে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরী জানান।এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)’র সঙ্গে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা রাজিব আল রানা ছিলেন। তারা প্রত্যেক পরিবারের সাথে কথা বলেন এবং নিহতদের পরিবারগুলোকে সহযোগিতা করা হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com